একযোগে সব কারখানা পুনরায় চালু করছে প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ

গত ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন ২০১৯-এর ধারা ১২(১) অনুযায়ী কারখানাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

কারখানাগুলো হলো ইউনিভার্সেল জিস লিমিটিডে, জিন্স ২০০০ লিমিটেড, প্যাসিফিক ওয়্যার্কওয়্যারস লিমিটেড, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেড, এনএইচটি ফ্যাশন লিমিটেড, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেড (ইউনিট-২) প্যাসিফিক এক্সেসরিজ লিমিটেড ও প্যাসিফিক অ্যাটায়ার্স লিমিটেড।

সাম্প্রতিক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে বন্ধ থাকা চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার রফতানিমুখী আট পোশাক কারখানা আগামীকাল ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে।

কারখানাগুলো হলো ইউনিভার্সেল জিস লিমিটিডে, জিন্স ২০০০ লিমিটেড, প্যাসিফিক ওয়্যার্কওয়্যারস লিমিটেড, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেড, এনএইচটি ফ্যাশন লিমিটেড, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেড (ইউনিট-২) প্যাসিফিক এক্সেসরিজ লিমিটেড ও প্যাসিফিক অ্যাটায়ার্স লিমিটেড।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, গত ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন ২০১৯-এর ধারা ১২(১) অনুযায়ী কারখানাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

নোটিশে বলা হয়েছে, 'বর্তমানে সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এবং উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।'

সব কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিককে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে নিজ নিজ বিভাগে উপস্থিত থেকে শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কারখানার নোটিশ নিজ প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও সিইপিজেড নির্বাহী পরিচালক, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পুলিশ সুপার ও ইপিজেড থানার ওসিকেও অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, 'আমরা মনে করছি উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সকল কার্যক্রম চালু হবে।'

আরও